বাংলাদেশ নতুন বছরের শুরুতে চীনের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক বার্তাকে স্বাগত জানিয়েছে। চীনের পক্ষ থেকে দেশের সুষ্ঠু সাধারণ নির্বাচন কামনা এবং বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবে নির্বাচনের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়ার কারণে ঢাকা আন্তরিকতার সঙ্গে সমর্থন প্রকাশ করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক দৃঢ়ভাবে বজায় রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ আবারও ‘এক চীন নীতি’ মেনে চলার বিষয়টি পুনর্ব্যক্ত করেছে, যা দুই দেশের কূটনৈতিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করেছে।
চীনের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশি পদক্ষেপকে ইতিবাচক হিসেবে নেওয়া হয়েছে। ঢাকার চীন দূতাবাসের এক বার্তায় জানানো হয়, বাংলাদেশ এক চীন নীতিতে দৃঢ়তার সঙ্গে অঙ্গীকার পুনঃনিশ্চিত করেছে এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে উচ্চ পর্যায়ে উন্নীত করেছে।
‘এক চীন নীতি’ অনুযায়ী, বিশ্বে শুধুমাত্র একটি চীন আছে এবং তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য হয়। এ নীতিতে, গণপ্রজাতন্ত্রী চীন সরকার সমগ্র চীনের একমাত্র আইনি প্রতিনিধি হিসেবে স্বীকৃত। অন্যান্য দেশও এই নীতিকে মান্য করে, যা চীনের অবস্থানগত কূটনৈতিক স্বীকৃতিকে শক্তিশালী করে।
চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং নববর্ষের ভাষণে তাইওয়ান ও চীনের পুনর্মিলনের লক্ষ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন এবং দীর্ঘদিনের কূটনৈতিক লক্ষ্যকে ‘অপ্রতিরোধ্য’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি চীনা জনগণের মধ্যে ‘রক্ত এবং আত্মীয়তার বন্ধন’কে বিশেষভাবে তুলে ধরেছেন, যা তাইওয়ানের চারপাশে সামরিক মহড়ার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এদিকে, বাংলাদেশ–চীনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দৃঢ়তা এবং ‘এক চীন নীতি’ মেনে চলার পুনর্ব্যক্তি দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সংহতি আরও শক্তিশালী করার বার্তা দিয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :