ঢাকা বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬

মো. ফাদের পরিচালনায় `বংশ মর্যাদা’

বিনোদন প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩১ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৭:১১ বিকাল

মো. ফাদের পরিচালনায় `বংশ মর্যাদা’

মানুষের স্বভাব ও চরিত্রই কি একজনকে ভালো মানুষ করে, নাকি এর সঙ্গে বংশ পরিচয়ও সমানভাবে জরুরি— এমন প্রশ্ন ঘিরেই এগিয়েছে স্যাটায়ার কমেডি নাটক ‘বংশ মর্যাদা’। নাটকটি নির্মাণ করেছেন পরিচালক মো. ফাহাদ। এর গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন রাজীব মণি দাস।

নাটকের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন আখম হাসান, মৌসুমী হামিদ, রেশমা আহমেদ, কাজী রাজু, ফরিদ হোসাইনসহ আরও অনেকে।

নাটকটি সমাজে প্রচলিত বংশমর্যাদা নিয়ে বিভ্রান্তি ও ভ্রান্ত ধারণাকে ব্যঙ্গাত্মকভাবে তুলে ধরে। গল্পে দেখানো হয়েছে, জমিদার বাড়ির সবাই যে যুগ যুগ ধরে জমিদার থাকে না, তেমনি ফকির বংশের সবাইও ফকির হয়ে থাকে না। বাস্তব জীবনের এমন নানা বৈপরীত্যই নাটকের মূল উপজীব্য।

নির্মাতা মো. ফাহাদ বলেন, “জমিদার বাড়ির সবাই যেমন কালক্রমে জমিদার থাকে না, তেমনি ফকির বংশের লোকজনও ফকির থাকে না। এটা আসলে একটি খানদানি বংশ। কিন্তু দুষ্টু মানুষকে কি আর বংশের চৌকাঠে আটকে রাখা যায়? সেই কথাই ‘বংশ মর্যাদা’ নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে।”

লেখক রাজীব মণি দাস বলেন, “প্রচলিত জীবনধারায় প্রতিনিয়ত নানা অবাঞ্ছিত ঘটনা ঘটে। এমনই একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে সমাজের বাস্তব চিত্র নাটকীয়ভাবে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

গল্পে দেখা যায়, গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি আরিফ হলেও তার নামের সঙ্গে যুক্ত রয়েছে ‘ফকিরা বংশ’। গ্রামের কেউ তাকে ফকির বলে ডাকলেই সে ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। সুন্দর নাম থাকা সত্ত্বেও কেন তাকে বংশ পরিচয়ে ডাকা হবে— এই প্রশ্নেই তার ক্ষোভ।

এমনকি আরিফের জন্য পাত্রি দেখতে গেলে পাত্রিপক্ষ তার বংশ পরিচয় শুনেই বিয়ে বাতিল করে দেয়। তাদের ধারণা, কোনো ভালো ঘরের মেয়ের সঙ্গে ফকিরা বংশের সম্পর্ক হতে পারে না। এভাবেই একের পর এক ঘটনার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যায় ‘বংশ মর্যাদা’ নাটকের কাহিনি।

Link copied!