ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে ব্রয়লার মুরগি ও ডিমের দামে। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে ডজনপ্রতি ডিমের দাম ১০ থেকে ১৫ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগির দাম কেজিতে প্রায় ১০ টাকা কমেছে। তবে একই সময়ে মাছের বাজারে দেখা গেছে উল্টো চিত্র। বেশিরভাগ মাছের দাম বেড়ে যাওয়ায় ক্রেতাদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে। শুক্রবার সকালে রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা জানান, বর্তমানে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকায়, যা কয়েকদিন আগেও ১৯৫ টাকার বেশি ছিল। সোনালি মুরগির দামও কিছুটা কমে এখন কেজিপ্রতি ৩৩০ টাকায় নেমে এসেছে। ডিমের বাজারেও মিলেছে স্বস্তি। প্রতি ডজন ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৩৫ থেকে ১৪০ টাকায়। ব্যবসায়ীদের দাবি, বাজারে সরবরাহ বাড়ায় দাম কিছুটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে।
রাজধানীর রায়েরবাজারে মুরগি কিনতে আসা এক ক্রেতা জানান, ঈদের পরপরই তিনি ২০০ টাকা কেজি দরে ব্রয়লার কিনেছিলেন। এখন একই মুরগি ১৭৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, যা কিছুটা হলেও স্বস্তির।
অন্যদিকে মাছের বাজারে গিয়ে দেখা গেছে, বেশিরভাগ মাছের দাম আগের চেয়ে চড়া। পাঙাশ বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৮০ থেকে ২০০ টাকা, তেলাপিয়া ২০০ থেকে ২৩৫ টাকা এবং রুই মাছ ২৪০ থেকে ৩৫০ টাকায়। এছাড়া দেশি টেংরা ৬০০ টাকা, বাইন মাছ ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা, কই মাছ ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা এবং চিংড়ি মাছ আকারভেদে ৫৫০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
ইলিশের বাজারেও উচ্চ দাম বজায় রয়েছে। এক কেজি ওজনের ইলিশ কিনতে গুনতে হচ্ছে ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার টাকা। মাঝারি আকারের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকায়। ছোট আকারের জাটকা ইলিশও প্রতি কেজি ৮০০ টাকার নিচে মিলছে না।
মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, বাজারে সরবরাহের ওপর নির্ভর করেই প্রতিদিন দামের ওঠানামা হয়। কোনো মাছ বেশি এলে দাম কমে, আবার সরবরাহ কম থাকলে দাম বাড়ে। বিশেষ করে ঈদ সামনে রেখে চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় কিছু মাছের দাম বাড়তি রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :